ঢাকা ০৫:৫২ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৯ অগাস্ট ২০২৬, ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নের অপচেষ্টা

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের নিন্দা ও প্রতিবাদ

মানব বার্তা ডেস্ক

 

 

গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও কুৎসা ছড়ানোর অভিযোগ তুলে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

 

রোববার (৯ আগস্ট) সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীম পারভেজ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে পুলিশের ওপর নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি হলেও বাহিনীর সদস্যরা নতুন উদ্যমে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন

এ সময়ে অপপ্রচার, জনবিচ্ছিন্ন ফ্যাসিস্ট শক্তি এবং কর্তৃত্ববাদী মহল পরিকল্পিত অপপ্রচারের মাধ্যমে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, পুলিশের বাইরে ও অভ্যন্তরে অর্জিত ভালো কাজ ও সফলতার বিষয়গুলো আড়াল করে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও নামধারী সাংবাদিকদের কাজে লাগিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।

 

এসব তথ্যের সত্যতা, প্রেক্ষাপট ও যথার্থতা যাচাই না করে কিছু কথিত সাংবাদিক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট তা অতিরঞ্জিত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের অপপ্রচার ক্রমেই পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এমনকি বাহিনীর প্রধানের বিরুদ্ধে কুৎসা ও অপপ্রচারের রূপ নিচ্ছে। এতে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সামগ্রিকভাবে একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীর কর্মক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীর মনোবল ও পেশাগত সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপতথ্য, গুজব ও কুৎসার মাধ্যমে পুলিশকে দুর্বল ও বিতর্কিত করার অপচেষ্টা শুধু পুলিশ বাহিনী নয়, রাষ্ট্র, জনগণ এবং একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রত্যাশার জন্যও ক্ষতিকর।

বিবৃতিতে ব্যক্তিগত, গোষ্ঠীগত স্বার্থ কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারকে দেশের আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার, বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং পুলিশ বাহিনীকে পরিকল্পিতভাবে দুর্বল ও বিতর্কিত করার অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

একই সঙ্গে রাষ্ট্র, জনগণ ও পুলিশ বাহিনীর স্বার্থে এ ধরনের অপতৎপরতায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে প্রচলিত আইন, বিধি ও সাংগঠনিক মূল্যায়ন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৯:০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬
১৪ বার পড়া হয়েছে

পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্নের অপচেষ্টা

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের নিন্দা ও প্রতিবাদ

আপডেট সময় ০৯:০৩:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৯ অগাস্ট ২০২৬

 

 

গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশ পুলিশের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার, বিভ্রান্তিকর তথ্য ও কুৎসা ছড়ানোর অভিযোগ তুলে এর তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

 

রোববার (৯ আগস্ট) সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক ও ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার শামীম পারভেজ স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ প্রতিবাদ জানানো হয়।

 

বিবৃতিতে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে পুলিশের ওপর নানা ধরনের চাপ সৃষ্টি হলেও বাহিনীর সদস্যরা নতুন উদ্যমে দেশের আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও জননিরাপত্তা নিশ্চিত করার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন

এ সময়ে অপপ্রচার, জনবিচ্ছিন্ন ফ্যাসিস্ট শক্তি এবং কর্তৃত্ববাদী মহল পরিকল্পিত অপপ্রচারের মাধ্যমে পুলিশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করছে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।

পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের দাবি, পুলিশের বাইরে ও অভ্যন্তরে অর্জিত ভালো কাজ ও সফলতার বিষয়গুলো আড়াল করে দেশ-বিদেশে অবস্থানরত বিভিন্ন অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট ও নামধারী সাংবাদিকদের কাজে লাগিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ও বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা হচ্ছে।

 

এসব তথ্যের সত্যতা, প্রেক্ষাপট ও যথার্থতা যাচাই না করে কিছু কথিত সাংবাদিক ও অনলাইন অ্যাক্টিভিস্ট তা অতিরঞ্জিত করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, এ ধরনের অপপ্রচার ক্রমেই পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এমনকি বাহিনীর প্রধানের বিরুদ্ধে কুৎসা ও অপপ্রচারের রূপ নিচ্ছে। এতে দায়িত্ব পালনরত পুলিশ সদস্যদের মনোবল ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে এবং সামগ্রিকভাবে একটি শৃঙ্খলাবদ্ধ বাহিনীর কর্মক্ষমতা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে।

অ্যাসোসিয়েশন মনে করে, গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী সময়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীর মনোবল ও পেশাগত সক্ষমতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

 

উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপতথ্য, গুজব ও কুৎসার মাধ্যমে পুলিশকে দুর্বল ও বিতর্কিত করার অপচেষ্টা শুধু পুলিশ বাহিনী নয়, রাষ্ট্র, জনগণ এবং একটি স্থিতিশীল ও গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের প্রত্যাশার জন্যও ক্ষতিকর।

বিবৃতিতে ব্যক্তিগত, গোষ্ঠীগত স্বার্থ কিংবা রাজনৈতিক উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বিরুদ্ধে অপপ্রচারকে দেশের আইনশৃঙ্খলা ও সামাজিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এ ধরনের উদ্দেশ্যপ্রণোদিত অপপ্রচার, বিভ্রান্তি ছড়ানো এবং পুলিশ বাহিনীকে পরিকল্পিতভাবে দুর্বল ও বিতর্কিত করার অপচেষ্টার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে বাংলাদেশ পুলিশ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন।

একই সঙ্গে রাষ্ট্র, জনগণ ও পুলিশ বাহিনীর স্বার্থে এ ধরনের অপতৎপরতায় জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্ত করে প্রচলিত আইন, বিধি ও সাংগঠনিক মূল্যায়ন অনুযায়ী যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি পুলিশ বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন ও আইনবহির্ভূত কর্মকাণ্ড থেকে সংশ্লিষ্টদের বিরত থাকার অনুরোধ করা হয়েছে।