লামায় চাঞ্চল্যকর সিএনজি ছিনতাই মামলার রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৩
বান্দরবানের লামা থানাধীন ফাইতং এলাকায় সংঘটিত আলোচিত চাঞ্চল্যকর দস্যুতা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে জেলা পুলিশ। এ ঘটনায় সংঘবদ্ধ দস্যুচক্রের মূলহোতাসহ ৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। পাশাপাশি তাদের কাছ থেকে ছিনতাইকৃত সিএনজি অটোরিকশা ও একটি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গত ২০ মে সন্ধ্যায় সংঘবদ্ধ দস্যুচক্রের সদস্যরা যাত্রীবেশে সিএনজি চালক নুরু আলমকে ভাড়া করে লামা-ফাইতং সড়কের বদরটিলা এলাকায় নিয়ে যায়। সেখানে পূর্বপরিকল্পিতভাবে চালকের ওপর হামলা চালিয়ে তাকে ছুরিকাঘাত ও মারধর করে গুরুতর আহত করা হয়। পরবর্তীতে তার ব্যবহৃত সিএনজি, মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে পালিয়ে যায় দুর্বৃত্তরা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী বাদী হয়ে লামা থানায় একটি দস্যুতা মামলা দায়ের করেন। মামলা দায়েরের পর বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. ওহাবুল ইসলাম খন্দকারের দিকনির্দেশনা এবং লামা সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার মাসুম সরদার ও লামা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ কাইছার হামিদের তত্ত্বাবধানে তদন্ত শুরু হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই সত্যজিৎ বড়ুয়া তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার ও গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে দস্যুচক্রের সদস্যদের শনাক্ত করেন।
এরপর বরগুনা, চট্টগ্রাম মহানগর ও কক্সবাজার জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে মূলহোতাসহ ৩ আসামিকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উদ্ধার করা হয় ছিনতাইকৃত সিএনজি ও মোবাইল ফোন।
প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃতরা ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে। পরে তাদের বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হলে দুই আসামি ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেন।
পুলিশ জানিয়েছে, পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। অপরাধ দমন এবং জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বান্দরবান জেলা পুলিশের এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।



















