শোলাকিয়ায় কঠোর নিরাপত্তায় হবে ঈদের জামাত
আসন্ন পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানের প্রস্তুতি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করেছেন কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম এবং জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।
বুধবার (১৮ মার্চ) বেলা ১১টায় মাঠ পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে মুসল্লিদের নিরাপত্তায় সর্বোচ্চ সতর্কতার ঘোষণা দেওয়া হয়। পরিদর্শনকালে সংসদ সদস্য মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম বলেন, ‘শোলাকিয়া দেশের ঐতিহ্য।
এখানে দূর-দুরান্ত থেকে লক্ষ লক্ষ মুসল্লি নামাজ আদায় করতে আসেন। তারা যেন কোনোভাবেই হয়রানির শিকার না হন, সেদিকে প্রশাসনের সজাগ দৃষ্টি রয়েছে। মাঠের সার্বিক পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক এবং আমরা একটি উৎসবমুখর ও নিরাপদ পরিবেশে জামাত আয়োজনে বদ্ধপরিকর।’
সংবাদ সম্মেলনে নিরাপত্তার বিস্তারিত ছক তুলে ধরেন কিশোরগঞ্জ জেলার পুলিশ সুপার ড. এস. এম. ফরহাদ হোসেন। তিনি জানান, এবার শোলাকিয়ায় নিরাপত্তার কোনো কমতি থাকবে না।
পুলিশ সুপার বলেন, ‘জেলা পুলিশের একটি বিশাল অংশের পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনী ও বিজিবি মাঠের বাইরে ও ভেতরে টহল কার্যক্রমে নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবে। এছাড়া স্পেশাল টিম ও ডিবি সাদা পোশাকে নজরদারি করবে।
বোম ডিস্পোজাল ইউনিট, ড্রোন এবং আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাঠের সুইপিং কার্যক্রম চলবে। পুরো এলাকাটি সার্বক্ষণিক নজরদারির আওতায় থাকবে।’ তিনি আরো আশ্বস্ত করেন যে, মুসল্লিরা যেন নির্বিঘ্নে এবং নির্ভয়ে নামাজ আদায় করে বাড়ি ফিরতে পারেন, সেজন্য জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ ত্যাগ স্বীকার করতে প্রস্তুত।
মাঠ পরিদর্শনকালে জেলা প্রশাসনের সিনিয়র কর্মকর্তাবৃন্দ, জেলা পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মুসল্লিদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য বিশেষ ট্রেন চলাচলের পাশাপাশি মাঠের অজুখানা, সুপেয় পানি ও প্রাথমিক চিকিৎসার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। ঐতিহাসিক এই ময়দানে এবারও দেশের বৃহত্তম ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।










