ঢাকা ১১:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার

নিজস্ব সংবাদ

 

 

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ তদারকি শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার  ঢাকা-আরিচা ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ মিজানুর রহমান।

​ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সুপার মহাসড়কের সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকাগুলো পরিদর্শন করেন। তার এই পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

পরিদর্শনের উল্লেখযোগ্য স্থানগুলো হলো:

​ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক: সাভার ও নবীনগর বাস টার্মিনাল এলাকা।

​ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক: বাইপাইল মোড়সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল।

​পুলিশ সুপারের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:
​পরিদর্শনকালে এসপি মিজানুর রহমান সড়কে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি বলেন, ​”যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে আমাদের পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ ধৈর্য ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। কোনোভাবেই যেন মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা বা দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।”

পুলিশ সুপার আরো বলেন, ​গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন এবং ড্রোন বা সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।  যত্রতত্র যাত্রী ওঠা-নামা বন্ধ করা এবং উল্টো পথে গাড়ি চালানো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধ এবং রাতে যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

​পুলিশের বিশেষ প্রস্তুতি রয়েছে। ​ঢাকা জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কের মোড়ে মোড়ে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের টহল বাড়ানো হয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত যানবাহন বা দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য রেকার টিমও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

​পুলিশ সুপার  সাধারণ যাত্রীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলার এবং যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে নিকটস্থ পুলিশ বক্স বা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।

ট্যাগস :

নিউজটি শেয়ার করুন

আপলোডকারীর তথ্য
আপডেট সময় ০৮:৫৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
৪৫ বার পড়া হয়েছে

ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কে ঢাকা জেলা পুলিশ সুপার

আপডেট সময় ০৮:৫৮:৫০ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬

 

 

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের যাতায়াত নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে ঢাকা জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে বিশেষ তদারকি শুরু হয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় ১৯ মার্চ বৃহস্পতিবার  ঢাকা-আরিচা ও ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন ঢাকা জেলার পুলিশ সুপার (এসপি) মোঃ মিজানুর রহমান।

​ঈদে ঘরমুখো যাত্রীদের ভোগান্তি কমাতে এবং যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে পুলিশ সুপার মহাসড়কের সবচেয়ে ব্যস্ততম এলাকাগুলো পরিদর্শন করেন। তার এই পরিদর্শনের মূল উদ্দেশ্য ছিল সড়কে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা এবং যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

পরিদর্শনের উল্লেখযোগ্য স্থানগুলো হলো:

​ঢাকা-আরিচা মহাসড়ক: সাভার ও নবীনগর বাস টার্মিনাল এলাকা।

​ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়ক: বাইপাইল মোড়সহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সংযোগস্থল।

​পুলিশ সুপারের গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা:
​পরিদর্শনকালে এসপি মিজানুর রহমান সড়কে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যদের সাথে কথা বলেন এবং বর্তমান পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন। তিনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশনা প্রদান করেন।

তিনি বলেন, ​”যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে আমাদের পুলিশ সদস্যদের সর্বোচ্চ ধৈর্য ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করতে হবে। কোনোভাবেই যেন মহাসড়কে বিশৃঙ্খলা বা দীর্ঘ যানজট সৃষ্টি না হয়, সেদিকে বিশেষ নজর দিতে হবে।”

পুলিশ সুপার আরো বলেন, ​গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ মোতায়েন এবং ড্রোন বা সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে।  যত্রতত্র যাত্রী ওঠা-নামা বন্ধ করা এবং উল্টো পথে গাড়ি চালানো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা হচ্ছে। বাসে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় রোধ এবং রাতে যাত্রীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা।

​পুলিশের বিশেষ প্রস্তুতি রয়েছে। ​ঢাকা জেলা পুলিশের মিডিয়া সেল থেকে জানানো হয়েছে, ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে মহাসড়কের মোড়ে মোড়ে ওয়াচ টাওয়ার স্থাপন এবং ভ্রাম্যমাণ আদালতের টহল বাড়ানো হয়েছে। যান্ত্রিক ত্রুটিযুক্ত যানবাহন বা দুর্ঘটনাকবলিত গাড়ি দ্রুত সরিয়ে নেওয়ার জন্য রেকার টিমও প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

​পুলিশ সুপার  সাধারণ যাত্রীদের ট্রাফিক আইন মেনে চলার এবং যেকোনো জরুরি প্রয়োজনে নিকটস্থ পুলিশ বক্স বা জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ যোগাযোগ করার আহ্বান জানিয়েছেন।